বৃহস্পতিবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ ইং, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ ইং, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

টাওয়ার নির্মাণে যাচ্ছে লাইসেন্স পাওয়া কোম্পানিগুলো

টাওয়ার নির্মাণে যাচ্ছে লাইসেন্স পাওয়া কোম্পানিগুলো

মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে একে একে টেলিযোগাযোগ টাওয়ার নির্মাণ করতে যাচ্ছে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্স প্রাপ্ত মোবাইল টাওয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন ও কমিশনের সুশৃঙ্খল রেগুলেটরি কার্যক্রমের ফলে প্রতিনিয়ত টাওয়ার নির্মাণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত হচ্ছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বাংলালিংক ও সামিট টাওয়ারস লিমিটেডের (এসটিএল) চুক্তির ভিত্তিতে নির্মিত প্রথম মোবাইল টাওয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত টাওয়ারটি প্রতিষ্ঠান দুইটির চুক্তির আওতায় নির্মিতব্য মোট ২৫৯টি টাওয়ারের মধ্যে একটি।

অপর টাওয়ার অপারেটর এবি হাইটেক কনসোর্টিয়াম লি. এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসেন মঞ্জুরুল হাসান ইতোমধ্যে কমিশনকে জানিয়েছেন, তাদের আগামী তিন মাসে তিনশত টাওয়ার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি মোবাইল অপারেটর রবির সঙ্গে ১০০ টাওয়ার নির্মাণে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এবং পরবর্তী সময়ে ৪৮টি টাওয়ার নির্মাণ করে রবিকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। বাকী ৫২টির নির্মাণ কার্যক্রম এ মাসেই শেষ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, বিটিআরসি সবসময় নতুন ধরনের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর সম্ভাবনা বিবেচনা করে দেখতে আগ্রহী যাতে টেলিকম অপারেটরগুলো আরও ভালোভাবে গ্রাহকদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়। টাওয়ারকো নীতিমালা বাস্তবায়ন করে তারা সেবার মান বৃদ্ধি করতে পারবে বলে আমি আশাবাদী।

সামিট টাওয়ারসের সঙ্গে উল্লেখিত কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলালিংকের চিফ টেকনোলজি অফিসার পিয়েরে বউট্রস ওবেইদ বলেন, এটি আমাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন এক অধ্যায়। আমরা বিশ্বাস করি, সামিটের সঙ্গে আমাদের চুক্তি বাংলালিংকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ভবিষ্যত পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে মানসম্মত সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের এগিয়ে রাখবে।

 

সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আরিফ আল ইসলাম বলেন, টাওয়ারকো নীতিমালার আওতায় অনুমোদিত সার্ভিস লেভেল চুক্তির ভিত্তিতে একটি টেলিকম অপারেটরকে টাওয়ার শেয়ারিং সেবা দিতে পেরে আমরা সত্যিই গর্বিত। আসন্ন ৫জি নেটওয়ার্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে এটি আমাদের জন্য একটি অনন্য সু্যোগ।

ইডটকো বাংলাদেশ লি. এর পরিচালক (প্রকৌশল) সাব্বির আহমেদ কমিশনে অনুষ্ঠিত বিগত সভায় জানিয়েছিলেন যে তার প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে টাওয়ার নির্মাণ কার্যক্রম চালু রেখেছে। তবে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনায় কিছু প্রতিবন্ধকতার কথা তিনি তুলে ধরেন। কমিশন থেকে সংশ্লিষ্ট যেকোন ইস্যু স্বল্পতম সময়ে সমাধানের প্রতিশ্রুতি প্রধান করা হয়, তবে বাজার প্রতিযোগিতায় আইন ও বিধানের বাইরে কাজ করলে তার বিষয়ে কঠোর রেগুলেটরি হস্তক্ষেপের বিষয়ে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

২০১৮ সালে বিটিআরসি থেকে ৪টি টেলিকম টাওয়ার লাইসেন্স হস্তান্তর করা হয়। লাইসেন্সিং নীতিমালা অনুযায়ী টাওয়ার কোম্পানিগুলো মোবাইল টাওয়ার নির্মাণ করে সেগুলো মোবাইলফোন অপারেটরদের সার্ভিস ফির বিনিময়ে ব্যবহার করতে দিতে পারবে।

শেয়ার করুন:Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email

মন্তব্য করুন

মন্তব্য