রবিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং, ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
রবিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং, ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
রবিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন ৭০ ভাগ কার্যকর

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন ৭০ ভাগ কার্যকর
অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন ৭০ ভাগ কার্যকর

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন ৭০ শতাংশ কার্যকর। একটি বিশাল আকারের ট্রায়াল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এটি একই সঙ্গে অক্সফোর্ডের জন্য একটি বিজয় আবার হতাশারও। কারণ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ফাইজার এবং মডার্নার ভ্যাকসিনে ৯৫ ভাগ কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ইতোমধ্যে তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের প্রাথমিক ফলে দেখা গেছে, ফাইজার-বায়োএনটেক, রাশয়ার স্পুটনিক এবং মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৯০ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে একটি অর্থাৎ ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি ভ্যাকসিনটি ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে ৯৪ শতাংশ কার্যকর বলে জানানো হয়েছে।

সেই হিসেবে অক্সফোর্ডের কার্যকারিতা অন্যসব ভ্যাকসিনের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। তবে অন্যান্য ভ্যাকসিনের চেয়ে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের দাম অনেকটাই সস্তা হবে এবং এটি বিশ্বের যে কোনো স্থানে সংরক্ষণ করাও বেশ সহজ। তাই এদিক দিয়ে বলা যায়, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিয়ে তেমন একটা ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হবে না।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলে মহামারি নিয়ন্ত্রণে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাছাড়া সঠিকভাবে এই ভ্যাকসিনের ডোজ প্রদান করা গেলে তা শরীরে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম বলেও জানানো হয়েছে।

এর মধ্যেই ভ্যাকসিনের ১০ কোটি ডোজ তৈরির জন্য অক্সফোর্ডকে পূর্ব-নির্দেশনা দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেন, আমরা হয়তো আগামী গ্রীষ্মের মধ্যেই স্বাভাবিক জীবন-যাত্রার অনেকটা কাছাকাছি চলে যেতে পারব। ভ্যাকসিন না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের একে অপরকে দেখে রাখতে হবে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি মহামারি করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করছে। এতে করে এই আশা তৈরি হয়েছে যে, করোনায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা এসব মানুষ হয়তো এই ভ্যাকসিনের মাধ্যমে সুরক্ষা পাবেন।

গবেষকরা বলছেন, বিখ্যাত ব্রিটিশ চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল ল্যানচেটে প্রকাশিত দ্বিতীয় দফার ফলাফলে ভ্যাকসিনটির ডোজ নেয়া ৫৬০ সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীর এ সংক্রান্ত যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা ‘আশা জাগানিয়া’। এছাড়া এই ভ্যাকসিনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই বলে ল্যানচেটে পিয়ার রিভিউ হওয়া ফলাফলে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে ইতোমধ্যেই ভ্যাকসিনের ৪০ লাখ ডোজ ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া সরবরাহের অপেক্ষায় রয়েছে আরও ৯ কোটি ৬০ লাখ ডোজ। যুক্তরাজ্যে২০ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবী অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে ৩০ জনকে ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ প্রদান করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email

মন্তব্য করুন

মন্তব্য